রাজনীতি

লড়াই মুখোমুখি – কে টিকবে? সিনহা নাকি হাসিনা?

লড়াই মুখোমুখি - কে টিকবে? সিনহা নাকি হাসিনা?

সকালে হাসিনা চলে যাচ্ছেন জেনারেল আকবরের তত্ত্বাবধানে – সাভার ইপিজেডে! রাষ্ট্রপতি হামিদকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে কাজাখিস্তানে।

অন্যদিকে আজ ১০ সেপ্টেম্বর বিকালে সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসানো হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, এতে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী বিল আনা হবে এবং খুব দ্রুত পাশ করা হবে। আর এতে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত ‘প্রবীণতম’ শব্দটি বদল করে কেবল ‘প্রবীণ’ শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হবে। এর পরে রাষ্ট্রপতি হামিদ ১২ তারিখে ঢাকায় এসে প্রথমে এই সংশোধনীতে সই করবেন। সাথে সাথে প্রধান বিচারপতি সিনহাকে “অন্যকোনো কারনে দায়িত্ব পালনে অসামর্থ” ঘোষণা করে ২য় সিনিয়র বিচারক সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করবেন।

এই ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে সিনহা সাহেব বিদেশ থেকে আর দেশে ফিরতে পারবেন না। কারন তার বিরুদ্ধে ১২৬টি অভিযোগ এবং আরও গুরুতর নন বেইলেবল সেকশন রেডি করা আছে। এমনকি এরেস্ট হয়ে যেতে পারেন। যখন ডিজিএফআইর হাতে আটক রয়ে গেছে সিনহা বাবুর বন্ধু অনিরুদ্ধ! তাকে দিয়ে সব কাগজপত্র তৈরী করে নিয়েছে।

এতদিন ধরে বলা হচ্ছিল, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে বিচারপতি সিনহাকে সরিয়ে দেবার কথা বলছিল। কিন্তু সেটা করা হলে ‘প্রবীণতম’ ফ্যাকড়ায় পড়ে বিচারপতি ওয়াহাব মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি করতে হতো। এটা করা হলে বাঘের মুখ থেকে সিংহের মুখে পড়তো সরকার। ওয়াহহাব সাহেবের অবসরের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১৮। সে কারনে ১৭তম সংশোধনী করে প্রবীনতম বাদ দিয়ে প্রবীন বিচারক আওয়ামী দলদাস সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত করা হলে সব টেনশন ফ্রি।

এখন বিচারপতি সিনহা যদি সব হিসাব কিতাব বুঝে থাকেন, তবে বর্তমান সংসদ বসার আগেই ১৫৪ জন বিনাভোটের এমপিকে অবৈধ ঘোষণা করে সংসদকে বাতিল ঘোষণা করবেন, অধিবেশনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করবেন। আর তা করতে ব্যর্থ হলে সিনহাও শেষ, বিচার বিভাগও শেষ।
সুত্রঃ bdpolitico.com

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউজটির মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close