জাতীয়

শহীদ জিয়ার যে কৌশলে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলো মায়ানমার সরকার

শহীদ জিয়ার যে কৌশলে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলো মায়ানমার সরকার

১৯৭৮ সাল,বার্মার রাষ্ট্রপতি তখন নে উইন। আমাদের রাষ্ট্রপতি তখন জিয়াউর রহমান। ঠিক ঐ সময় থেকেই রোহিঙ্গা মুসলমানদের আবাসভূমি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে সামরিক বাহিনী কর্তৃক বর্বরোচিত নির্যাতন শুরু হয়। নাফ নদী দিয়ে ভেসে আসতে লাগল রোহিঙ্গা আবালবৃদ্ধবনিতার বিভৎস্য লাশ।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ভাবছিলেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রে পরিচালিত মুসলমানদের উপর এমন বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে কিছু একটা করতেই হবে। তখন জাতিসংঘের মহাসচিব কার্ট ওয়াইল্ড হেইম।রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তৎক্ষণাৎ চট্রগ্রাম সেনানিবাসেরর জিওসিকে নির্দেশ প্রদান করলেন রাতারাতি নাফনদীর তীর ঘেষে এক ব্রিগেড সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে।

পরদিন বার্মার রাষ্ট্রপতি হঠাৎ সীমান্তে বাংলাদেশ আর্মির উপস্থিতিতে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন। বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতন। বার্মার প্রেসিডেন্ট নে উইন জাতিসংঘের মহাসচিবের দ্বারস্থ হন। জাতিসংঘ মহাসচিব রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে টেলিফোন করে জানতে চান বার্মা সীমান্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন এর কারণ।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবকে তার উত্তরে জানিয়েছিলেন,
“Our Military went there just for a picnic, not anything serious ”

“আমাদের সেনাবাহিনী সেখানে একটা পিকনিক পার্টি
করতে জমায়েত হয়েছে,অন্যকোন জটিল বিষয়ে নয়।”
তখন তিনি সামান্য ভয় দেখিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমের জীবন বাঁচিয়ে ছিলেন

এইদিকে আজকে কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী আরও দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত দেড়টা ও আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে এই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এই দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ শিশু ও ৯ নারীর লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয় লোকজন। সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন এলাকা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, রাত একটার দিকে ও সকাল সাতটার দিকে আরও দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। ওই নৌকা দুটিতে ধারণ ক্ষমতার চেয়েও ২২ থেকে ২৫ জন যাত্রী বেশি ছিল। রোহিঙ্গাদের নিয়ে নৌকাগুলো নাফ নদী পেরিয়ে বঙ্গোপসাগর হয়ে শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিমপাড়া ও মাঝারপাড়া কূলে ভেড়ানোর আগেই জোয়ারের ধাক্কায় নৌকা দুটি ডুবে যায়। বেশির ভাগ শিশু ও নারী সাঁতরে কূলে উঠতে না পারায় ডুবে মারা যায়। আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ১৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউজটির মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close